নাম না করে রাহুল প্রিয়াঙ্কাকে বসন্তের কোকিল বললেন মমতা

নাম না করে রাহুল প্রিয়াঙ্কাকে বসন্তের কোকিল বললেন মমতা, ভারতের উত্তর প্রদেশের নির্বাচনকে

কেন্দ্র করে সমাজবাদী পার্টির হয়ে প্রচারে গিয়ে কংগ্রেস নেতৃত্বকে কটাক্ষ করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা

ব্যানার্জি। আজ মঙ্গলবার লখনউর ভার্চুয়াল জনসভায় মমতা বলেছেন, সারা বছর তাদের কোথাও দেখা যায় না।

মানুষের পাশে থাকতে দেখা যায় না। কিন্তু ভোট এলেই কিছু মানুষ বসন্তের কোকিলের মতো এসে পড়েন।

আরও খবর পেতে ভিজিট করুউঃ distonews.com

নাম না করে রাহুল প্রিয়াঙ্কাকে বসন্তের কোকিল বললেন মমতা

তাদের ভালো করে চিনে নিন। তাদের একটি ভোটও দেবেন না। কারণ তাদের ভোট দেওয়ার অর্থ বিজেপির করা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নাম না করলেও ‘বসন্তের কোকিল’ বলে মমতা ব্যানার্জি যে কংগ্রেস

সভাপতি রাহুল গান্ধী ও মহাসচিব প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আক্রমণ করেছেন। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বিরুদ্ধে

উত্তর প্রদেশে আলাদাভাবে লড়ছে সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজ পার্টি ও কংগ্রেস। প্রচারে এসে মমতা অবশ্য

অখিলেশকে ভোট দেওয়ার কথা বারবার বলেছেন

মমতা বলেছেন, ‘উত্তর প্রদেশে একমাত্র অখিলেশই পারবে বিজেপিকে হারাতে। সে কারণে আমি তাকে সমর্থন করেছি।

আমি বিশ্বাস করি অখিলেশ তিন শতাধিক আসন পেয়ে বিজেপিকে হারাবে। আর কারো ক্ষমতা নেই বিজেপিকে হারানোর।

মমতা আরো বলেন, এই ভোটের সময় কেউ দিল্লি থেকে আসবেন, কেউ হায়দরাবাদ থেকে আসবেন।

কিন্তু ভোটের পর আর কেউ থাকবেন না। বসন্তের কোকিলের মতো এসেছেন, ভোট মিটলেই সব চলে যাবেন। শুধু অখিলেশই আপনাদের পাশে থাকবে।

উত্তর প্রদেশে থাকা বাঙালিদেরও সমাজবাদী পার্টিকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ করেছেন মমতা। তিনি সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, সেখানে সমাজবাদী পার্টি ছাড়া অন্য কাউকে ভোট দেওয়ার অর্থ বিজেপির হাত শক্ত করা।

তিনি মগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. এনামুল হক শাহিনের চাচা। ভুক্তভোগী কিশোর ওই এলাকার এক অটোরিকশাচালকের ছেলে এবং স্থানীয় মগর দাখিল মাদরাসায় নবম শ্রেণিতে পড়ে।
কিশোরের বাবা জানান,

নাম না করে রাহুল প্রিয়াঙ্কাকে বসন্তের কোকিল বললেন মমতা

সোমবার সকালে তাঁর ছেলে দোকানে ‘স্টাইল’ করে চুলে কাটিং দেয়। পরে সে বাড়িতে ফেরার পথে স্থানীয় হায়দার হাওলাদার হৃদয়ের চুলের কাটিং দেখে ক্ষিপ্ত হন। পরে তাকে আমিরাবাদ বাজারের দেব কুমার শীলের সেলুনে মেশিন দিয়ে মাথার চুল সম্পূর্ণ ন্যাড়া করে দেন হায়দার। এসময় তাকে হায়দার মারধরও করেন।

চুল ন্যাড়া করার কথা স্বীকার করে হায়দার হাওলাদার বলেন, ‘ছেলেটি অল্প বয়সে উগ্র স্টাইলে চুল কাটায় একটু শাসন করেছি। একটু শাসন না করলে শিশু-কিশোররা নষ্ট হয়ে যাবে। ‘

মগড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এনামুল হক বলেন, ‘এ ঘটনা যদি সত্য হয়ে থাকে তাহলে সঠিক বিচার করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.