কওমি মাদরাসায় যেভাবে চলছে টিকা কার্যক্রম

কওমি মাদরাসায় যেভাবে চলছে টিকা কার্যক্রম, বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুসারে ১২ থেকে ১৭

বছর পর্যন্ত বয়সী শিক্ষার্থীরা এবং ১৮-ঊর্ধ্ব শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হাইআতুল উলিয়া

ঘোষিত ২৭টি কেন্দ্রে টিকা গ্রহণ করবে। যারা এসব টিকাকেন্দ্র থেকে টিকা গ্রহণ করতে পারবে না,

তারা স্থানীয় কোনো টিকাকেন্দ্র থেকেও টিকা গ্রহণ করতে পারবে।

আরও খবর পেতে ভিজিট করুউঃ distonews.com

কওমি মাদরাসায় যেভাবে চলছে টিকা কার্যক্রম

শিক্ষার্থীদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ দ্বারা নিবন্ধন করতে বলা হয়েছে। আর যাদের জাতীয়

পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ নেই তারাও বিশেষ প্রক্রিয়া টিকা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে। এ ছাড়া সম্পূর্ণ

পর্দা রক্ষা করে মেয়েদের টিকা দেবেন মহিলা স্বাস্থ্য কর্মীরা এবং ছেলেদের টিকা দেবেন পুরুষ স্বাস্থ্যকর্মীরা।

কর্মসূচির অধীনে কতজন শিক্ষার্থী টিকা পাচ্ছে জানতে চাইলে আল-হাইআতুল উলয়ার অফিস সম্পাদক

মু. অছিউর রহমান বলেন, ‘সরকারের নির্দেশনা অনুসারে আমাদের টিকা উপযোগী শিক্ষার্থীর সংখ্যা

১৫ লক্ষাধিক সব শিক্ষার্থীকেই ক্রমান্বয়ে টিকার অধীনে আনা হবে। বোর্ড তার অধীন মাদরাসাগুলোকে

তেমন নির্দেশনাই দিয়েছে। ’ কিন্তু বোর্ড পরিচালিত কেন্দ্রগুলোর বাইরে স্থানীয় টিকাকেন্দ্র থেকেও শিক্ষার্থীরা

টিকা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে তাই ঠিক কতসংখ্যক শিক্ষার্থী টিকা নিচ্ছে তা এখনই সুনির্দিষ্ট করে বলা

যাচ্ছে না চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের ভেতর শিক্ষার্থীদের

টিকার প্রথম ডোজ দেওয়ার কর্মসূচি শেষ করা যাবে বলে আশা করছেন বোর্ড কর্মকর্তারা। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত বিরতির পর টিকার দ্বিতীয় ডোজ প্রদানের কার্যক্রম শুরু হবে।

তিনি আরো জানান, আমাদের ঘোষিত ২৭টি কেন্দ্রের বাইরেও বহু মাদরাসা স্থানীয় টিকাকেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনা শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টিকা প্রদানের ব্যবস্থা করছে।

কওমি মাদরাসায় যেভাবে চলছে টিকা কার্যক্রম

বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত মাদরাসাগুলোকে টিকা গ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের তালিকা এবং তারা এখনো টিকার উপযোগী নয় (১২ বছরের কম বয়সী) পৃথক তালিকা তৈরির নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

আল-হাইআতুল উলয়া ঘোষিত টিকাকেন্দ্রগুলো হচ্ছে—জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলূম, ফরিদাবাদ, সূত্রাপুর, ঢাকা; জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলূম মাদানিয়া,
ক্ষোভ প্রকাশ করে জয় বলেন, ‘আমাদের নির্বাচিত কমিটির মানুষদের বিরুদ্ধে কথা বললে বা সমালোচনা করলে সেটা আমাদের গায়েই পড়বে। তারা ভালো কাজ করলেও আমার শরীরে এসে লাগবে, খারাপ কাজ করলেও আমার শরীরে এসে লাগবে।

শুটিংয়ের ফাঁকে একবার ওয়াশরুমে যাওয়ার জন্য

শিল্পী সমিতিতে গিয়েছিলেন জয়, তখনই দেখতে পেলেন নতুন তালা ঝোলানো। চাবি কার কাছে আছে তাও জানেন না নির্বাচিত এই সমিতির নেতা। চেয়ার পরিবর্তনের কথা তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে জেনেছেন জয়। তরুণ এই অভিনেতা বলেন, ‘চেয়ার পরিবর্তন করার বিশেষ কোনো কারণ থাকতে পারে। হয়তো এখানে সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের নিজস্ব কোনো মতের ব্যাপার রয়েছে। কিন্তু তালা চাবি পরিবর্তনের বিষয়টা বুঝতে পারছি না, এটার আলাদা কোনো বেনিফিট আছে কি-না আমি জানি না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.