ইসি গঠনে দেরি হতে পারে

ইসি গঠনে দেরি হতে পারে, কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মেয়াদ আর

মাত্র ছয় দিন। নতুন ইসির জন্য যোগ্য ব্যক্তিদের নাম প্রস্তাবের জন্য সার্চ কমিটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল

গুলোকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি গঠিত হওয়া এ কমিটির কাজ শেষ করার  কার্যদিবস।
আরও খবর পেতে ভিজিট করুউঃ distonews.com

ইসি গঠনে দেরি হতে পারে

সে ক্ষেত্রে নতুন ইসি কবে নাগাদ গঠিত হতে পারে, তা নিয়ে চলছে নানা সমীকরণ।

এ ছাড়া এই কমিশন গঠন কি আগের ছকেই হবে, এবারও কি প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদে সরকারের

একজন সাবেক সচিব নিয়োগ পাবেন—এসব প্রশ্ন অনেকের। নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যারা নির্বাচন

কমিশন গঠনে সহযোগিতা করতে আগ্রাহী সেসব দলও নাম প্রস্তাবের জন্য বেঁধে দেওয়া চার দিন সময়সীমা নিয়ে অসন্তুষ্ট।

দলগুলোকে আহ্বান জানানোর বিষয়টি ওয়েবসাইটেই সীমাবদ্ধ থাকবে নাকি চিঠি দিয়ে জানানো  বিষয়টিও স্পষ্ট নয়।

এদিকে নির্বাচন কমিশনারদের নাম প্রস্তাবের জন্য মাত্র চার দিন সময় এবং গতকাল সোমবার পর্যন্ত সার্চ

কমিটির পক্ষ থেকে যোগাযোগ না করায় নাম প্রস্তাব নিয়ে দ্বিধায় আছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন

১৪ দলের একাধিক শরিক। তবে সময়সীমার মধ্যেই নাম প্রস্তাবের জন্য কাজ করছে আওয়ামী লীগ।

বিরোধী দল বিএনপি আবারও বলেছে,

নাম প্রস্তাব করে কোনো লাভ নেই, কারণ সরকার তার পছন্দনীয় ব্যক্তিদের নিয়েই ইসি গঠন করবে। একই যুক্তিতে নাম প্রস্তাব করা অপ্রয়োজনীয় বলছে বাম দলগুলোও।

আজ অনুসন্ধান কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক

আজ বিকেলে অনুসন্ধান কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে নাম পাওয়ার বিষয় নিয়ে করণীয় ঠিক করতে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। আগামী শনি ও রবিবার আরো দুটি বৈঠক করা হবে সুধীসমাজ ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এবং নির্বাচনসংক্রান্ত বিশেষজ্ঞদের নিয়ে। তাঁদের কোনো পরামর্শ বা প্রস্তাব থাকলে, তা নেওয়া হবে। রবিবারই শেষ হচ্ছে নূরুল হুদা কমিশনের মেয়াদ। সে হিসাবে এবার নির্বাচন কমিশন গঠনে দেরি হতে পারে বলেই সংশ্লিষ্টদের ধারণা।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক

গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে। সেখানে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শূন্য হওয়ার পর কিছুদিন নির্বাচন কমিশন না থাকাটা অস্বাভাবিক হবে। তবে শূন্য রাখা যাবে না, এ ধরনের কোনো কথা বলা নেই। অতীতেও কয়েকবার কিছু সময়ের জন্য দেশে নির্বাচন কমিশন ছিল না। এবারও যৌক্তিক কারণে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে দেরি হলে তেমন সমস্যা হবে বলে মনে হয় না। তা ছাড়া এখন তো গুরুত্বপূর্ণ কোনো নির্বাচনও নেই।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন,

বর্তমান কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত সময়ের ব্যবধানে নতুন কমিশন গঠনেরও নজির আছে। ২০১৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদের মেয়াদ শেষ হয়। সেই শূন্যপদে বর্তমান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা দায়িত্ব গ্রহণ করেন ওই বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি। ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে

ইসি গঠনে দেরি হতে পারে

বিচারপতি এম এ আজিজ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদ ছাড়েন ওই বছরের ২১ জানুয়ারি। এ টি এম শামসুল হুদা ওই শূন্যপদে নিয়োগ পান ১৪ দিন পর। এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু হেনার পদ শূন্য হয় ২০০০ সালের ৮ মে। ওই বছরের ২৩ মে এম এ সাঈদ এ পদে নিয়োগ পান। এ অবস্থায় এবার নির্বাচন কমিশন গঠন বিলম্বিত হলেও ব্যতিক্রম কিছু হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.